নিজস্ব প্রতিনিধি
বাগেরহাট রামপালে জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বার বার কারা নির্যাতিত, ত্যাগী ও রাজপথের সাহসী জনপ্রিয় নেতা কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম ভাইয়ের সমর্থনে সন্ত্রাস, দূর্নীতি, মাদকমুক্ত, সবার জন্য নিরাপদ কর্মসংস্থান মুখী, উৎপাদন ও উন্নয়নের জনপদ প্রতিষ্ঠার দাবিতে নির্বাচনী জনসভাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৯ নভেম্বর রবিবার বিকাল ৪ টায় রামপাল উপজেলা রামপাল সদর ইউনিয়নের মালিডাঙ্গা বালুর মাঠে নির্বাচনী জনসভাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ও বাগেরহাট-২ আসনের বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম।
জনসভায় সভাপতিত্ব করেন রামপাল উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ হাফিজুর রহমান তুহিন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রামপাল উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলতাফ হোসেন বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আলামিন হাওলাদার, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক জনাব শাহাদাত হোসেন সহ রামপাল উপজেলার বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির দলীয় মনোনয়ন বিভিন্ন আসনে ঘোষণা হলেও বাগেরহাট ১,২,৩, এ তিনটি আসনে প্রার্থীদের নাম স্থগিত রেখেছেন দলের হাইকমান্ড।
স্থানীয় নেতৃবৃন্দরা বলেন- দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বাগেরহাটের রামপাল -মোংলা ও ফকিরহাটের বিএনপি’র সবচেয়ে জনপ্রিয়,গরিব, দুঃখী, মেহনতি মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন –
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে খুব কম মানুষই আছেন, যাঁদের জীবন সংগ্রাম, ত্যাগ ও আদর্শ একত্রে মিলিত হয়ে গড়ে তুলেছে এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
রাজপথে ৩ বার গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পতিত হয়েছেন, তবুও থামেননি ন্যায়ের পথে পদযাত্রা। ৩৬টি মিথ্যা মামলা, ১৪ বার গ্রেফতার, ৭ বার রিমান্ডে অকথ্য নির্যাতন,এমনকি ২টি বানোয়াট মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েও তিনি সত্য ও ন্যায়ের পতাকা অক্ষুণ্ণ রেখেছেন।সুদীর্ঘ ৩৯ বছরের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে
তিনি প্রমাণ করেছেন—
ত্যাগই তাঁর শক্তি, আদর্শই তাঁর পরিচয়, আর দলই তাঁর অনন্ত ভালোবাসা। দলকে ভালবাসার কারণে নিজ স্ত্রীর মৃত্যুর সময় পাশে থাকতে পারেননি। ফ্যাসিস্ট সরকারের পেটুয়া পুলিশ বাহিনী স্ত্রীর জানাজায় সরাসরি অংশ নিতে দেয়নি। সেই কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীমকে দল সঠিক মূল্যায়ন করবেন বলে রামপাল-মোংলা ও ফকিরহাটের সাধারণ মানুষ দলের উপর আস্থা রেখেছেন।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ হাফিজুর রহমান তুহিন বলেন –
জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান-এর হাতে গড়া জাতীয়তাবাদী আদর্শের দল বিএনপির প্রতি তাঁর আনুগত্য আজ কিংবদন্তির সমার্থক।জিয়া পরিবারের প্রতি তাঁর আস্থা, বিশ্বাস ও অনুরাগ প্রমাণ করে—
তিনি শুধু একজন রাজনীতিক নন, বরং একজন আদর্শিক সৈনিক।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলতাফ হোসেন বাবু বলেন -দীর্ঘ ১৭ বছরের নিরলস সংগ্রাম ও ত্যাগের অমলিন ধারায় তিনি নিজেকে প্রমাণ করেছেন একজন সত্যনিষ্ঠ, নির্ভীক ও আদর্শনিষ্ঠ রাজনীতিবিদ হিসাবে।
রাজপথের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্ৰাম, মামলা ও হামলার মুহূর্তে তিনি ছিলেন দলের নেতাকর্মীদের অটল সহযোদ্ধা, প্রেরণার উৎস, আশ্রয় ও ভরসা।রামপাল -মোংলা ও ফকিরহাটের বিএনপি’র সবচেয়ে জনপ্রিয়,গরিব, দুঃখী, মেহনতি মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন –
শত দুঃখে–কষ্টে পাশে থেকে, জনপদ হতে জনপদে ঘুরে উন্নয়ন, সেবা ও মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম জনগণের হৃদয়ে গড়ে তুলেছেন আস্থার এক অটুট দুর্গ।রাজনীতিকে তিনি দেখেছেন ক্ষমতার নয়—মানুষের কল্যাণের মহৎ দায়িত্ব হিসেবে।রামপাল,মোংলা ও ফকিরহাট মানুষের আজ এক গভীর বিশ্বাস — বিএনপির হাই কমান্ড তাঁর প্রতি সুবিচার করবেন, কারণ তিনিই সেই নেতা, যাঁর নাম উচ্চারিত হয় ভালোবাসা, বিশ্বাস ও আশার প্রতীকে। জনগণের অপরিসীম সমর্থন ও অগাধ আস্থা নিয়ে তিনি আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বিপুল ব্যবধানে বিজয়ী হবেন—যা অন্য কোনো প্রার্থীর পক্ষে কল্পনাতীত।
তিনি শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন — তিনি জনতার প্রেরণা,আদর্শের প্রতীক,এবং রামপাল,মোংলা ও ফকিরহাটের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্নদ্রষ্টা।
কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম বলেন-ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের স্বৈরাচার আমলে রামপাল মংলা নেতাকর্মীদের দুর্দিনে পাশে ছিলাম। আজ তারা প্রমাণ করেছে তারা তাকে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাই।আওয়ামী লীগ বাগেরহাটে সন্ত্রাস কায়েম করেছে। বিএনপি সবসময় দেশের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। আমাকে এই আসন থেকে মনোনয়ন দিলে ধান শীষকে বিজয় করে তারেক রহমানকে উপহার দিবো। আগামীতে দেশের কল্যাণের জন্য ব্যালটের মাধ্যমে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করবে। আগামী নির্বাচনে দেশের জনগণ বিএনপিকে ক্ষমতায় দেখতে চায়।