মাইনউদ্দীন হাসান চৌধুরী খোকা লোহা গাডা উপজেলা
২৪ জুলাই–আগস্টের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, সম্মান, ভালোবাসা ও স্যালুট।
আমি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি,
কিন্তু আমি ছিলাম ২০২৪ সালের সেই গণঅভ্যুত্থানের এক সৈনিক।
আমি দেখেছি—দেশপ্রেম কাকে বলে!
আমি দেখেছি—ছাত্র জনতা কীভাবে ভালোবাসে তাদের মাতৃভূমিকে!
আমি দেখেছি—তরুণরা কীভাবে বুকের তাজা রক্ত দিয়ে রক্ষা করে প্রিয় বাংলাদেশকে!
আমি দেখেছি,
স্বৈরাচার হাসিনার বিরুদ্ধে লড়াই করতে মানুষের ঢল নেমেছে!
ছাত্ররা প্রাণ দিচ্ছে দেশের জন্য!
*আর বাংলার মাটিতে এক অদম্য জাগরণ—
যেখানে শ্রমজীবী থেকে শুরু করে শিক্ষিত শ্রেণি পর্যন্ত
সবাই এক কাতারে দাঁড়িয়ে বলছে—
“আমরা এই দেশ বাঁচাবো!”
খুনি হাসিনার পতন ঘটাবো।
ইনশাআল্লাহ।
আমি দেখেছি—বাংলাদেশের মানুষ জেগে উঠেছে উত্তাল স্লোগান দিয়ে,
‘দফা এক’ ‘দাবি এক’
শেখ হাসিনার পদত্যাগ !
আমি দেখেছি দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষ ভালোবাসা ঢেলে দিয়েছে আন্দোলনের পেছনে,
লোহাগাড়া-সাতকানিয়ায় সৃষ্টি হয়েছে গণজোয়ার,
যার ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে সারাদেশে।
আমি সেই দিনগুলোর সাক্ষী—
যখন রাষ্ট্র ইন্টারনেট বন্ধ করে দিলেও
এই দেশের তরুণেরা থেমে যায়নি!
বরং প্রতিটি অন্ধকারের ভিতর থেকে
তারা আলো জ্বেলে দিয়েছে—
জ্বেলে দিয়েছে স্বাধীনতার নতুন প্রদীপ!
আমি দেখেছি—ছাত্র, জনতা, শ্রমিক, কৃষক, শিক্ষক, আলেম, সাংবাদিক—
সব ধর্ম, সব মত, সব রাজনৈতিক দলের মানুষ
এক পতাকার নিচে ঐক্যবদ্ধ হয়ে
রুখে দাঁড়িয়েছে জুলুম, অন্যায় আর নিপীড়নের বিরুদ্ধে।এবং আমি নিজ চোখে দেখেছি সেই মাহেন্দ্রক্ষণ—
যখন গণতন্ত্রের সূর্য পুনরায় উদিত হয়েছে,
যখন স্বৈরাচার হাসিনা পদচ্যুত হয়েছে,
যখন আওয়ামী লীগ নামক একদা সন্ত্রাস ও রক্তের প্রতীক
ইতিহাসের বুকে ধ্বসে পড়েছে।এ ছিল জাতির নতুন জাগরণের শুরু,এক নতুন বাংলাদেশের জন্ম।
✍️
এম. এইচ. কে. রাসেল
২৪’ গণঅভ্যুত্থানের যোদ্ধা
লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম।